শনিবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

মোট কতজন মানুষ চাঁদের বুকে লাফিয়েছেন.

বাংলার সক্রেটিস সাত সকালে হাঁটতে বেরিয়ে একটু ফেসবুকে উঁকি দিয়ে দেখলেন চন্দ্রায়ন-২ এর হারিয়ে যাওয়া নিয়ে অনেক স্বদেশী আলোচনা করছে। তার মাথায় চন্দ্রাভিযান নিয়ে একটা প্রশ্ন আসল, আসলে ক’জন মানুষ সঠিক বলতে পারবে অদ্যবধি মোট কতজন মানুষ চাঁদের বুকে লাফিয়েছেন...প্রশ্নের উত্তর তিনি নিজেও জানেন না।
গুগলে সার্চ দেয়ার আগে তিনি ১৪ জন পথচারীকে জিজ্ঞেস করলেন। ১০জন উত্তরে জানালো মাত্র দুইজন নভোচারী চাঁদের বুকে হেঁটেছেন, আর ৩ জন উত্তর দিলো একজনও হাঁটে নাই, তাদের ভাষ্যমতে এপোলো-১১ এর চাঁদে অবতরন একটি মিথ্যা কথা, হলিউডে চিত্রায়িত পুরো ঘটনা।
কারোও উত্তরে বাংলার সক্রেটিস সন্তুষ্ট হতে পারলেন না। তিনি অন্তত এতটুকু জানেন যে এপোলো-১১ এর পরেও নাসার আরোও এপোলো চাঁদে সফলভাবে অবতরণ করতে পেরেছিলো।
তিনি বাসায় ফিরতি ফিরতে মোটামুটি তথ্য ওয়েবে ঘেটে নিলেন.....
জানলেন....
১৯৬৯ থেকে ১৯৭২ পর্যন্ত মোট ৬ বার ২জন করে যথাত্রমে এপোলো-১১, এপোলো-১২, এপোলো-১৪, এপোলো-১৫, এপোলো-১৬ ও এপোলো-১৭ তে করে মোট ১২ জন চাঁদে নেমেছিলো এবং প্রত্যেকেই লাফিয়ে লাফিয়ে হেঁটেছিলো...
(অফ টপিক-
বাকী একজন পথচারী উত্তর না দিয়ে উল্টো প্রশ্ন করেছিলোঃ বলেন তো মিয়া চাঁদে এখন আর মানুষ যায় না কেনো?
:কেনো?
ঐ পথচারীঃযাইতে দেয়না, গেলে এক মহাসত্য ফাঁস হইয়া যাইবো?
:কি সে সত্য যা আমার মাথায় আসছে না...
ঐ পথচারীঃ দূর মিয়া আপনি দেখি কিছুই জানেন না!
: হুম , জানিনা কিছুই সে কারনেই তো আমি বাংলার সক্রেটিস, মহান গ্রীক সক্রেটিসও বলেছিলেন তিনি কিছুই জানেন না.....!)

ওনায় তো আলাদা...

একদিন বাংলার সক্রেটিস ফকীরাপুল বাজারের সামনে থেকে নটরডেম কলেজের দিকে হাঁটছিলেন , হঠাৎ তিনি তার প্রতিবেশি ফকীর আলী কে দেখতে পেলেন দেওয়ানবাগ দরবারকে বেরিয়ে আসছেন। কাছে ডেকে জিজ্ঞেস করলেন- এই যে ফকীর ভাই, একটা প্রশ্ন করতে পারি?
ফকীর আলী: বলো বলো, কি বলবা?
বাংলার সক্রেটিসঃ আচ্ছা কোন খুব বিখ্যাত বা লোকপ্রিয় মানুষ যদি ভুল কিছু বলে তবুও কি তার সমালোচনা করা ঠিক হবে না?
ফকীর আলী: না, তা হইবো কেনো? মানুষ ভুল ভাল করবোই, তাই সমালোচনা করলি সেই মানুষ তার ভুল ভাল ধরে ফেলতি পারবো... এটাতো ভালো...
বাংলার সক্রেটিসঃ তাহলে নিশ্চয় আপনার ঐ পীরের দু একটা সমালোচনা করতে পারবো
ফকীর আলী : না, না... তা হইবোনা, ওনায় তো আলাদা...

চেনা

একদিন বাংলার সক্রেটিস সকাল সকাল নিউ মার্কেট কাঁচা বাজারের ভেতর দিয়ে হাঁটছিলেন হঠাৎ তিনি সামনের পথচারী লোককে থামিয়ে জিজ্ঞাস করলেন, ‘আরে রাজা দা, কেমন আছেন? আপনি কি আমাকে বলতে পারেন, একজন লোক তার সাথে কোন না কোন ভাবে পরিচিত বা জানাশোনা , বিখ্যাত বা সাদামাটা এমন অসংখ্য, অগনিত মানুষকে চেনে যারা কেউ তাকে চেনে না, এ অবস্থায় ঐ লোকটির স্মরণ শক্তি বেশি না যারা তাকে চেনে না তাদের স্মরন শক্তি কম?’
রাজা থমকালেন শুনলেন এবং উত্তরে বললেন, ‘বিষয়ডা কিন্তু এমনও হতি পারে যে ঐ লোকটি একটি অপদার্থ গোছের লোক যে জন্যি অন্যরা কেউ মনে রাখার কোন প্রয়োজনীয়তাই খুঁইজে পায় নি, আবার জাগতিক নিয়মে বিখ্যাতগো/কুখ্যাতগো সকলতি মনে রাখে অখ্যাতরে কেউ মইনে রাখে না... লোকটি অখ্যাতও হতি পারে.... এই ধরেন আপনি আমারে চিইনে নাম ধইরে সম্মোধন করতি পেইরেছেন, কিন্তু আমি কিন্তু আপনারে চিনতি পারিনি(!)

বয়লিং ফ্রগ সিনড্রোম

একদি সাত সকালে রাজা দা দৌড়াতে দৌড়াতে এক বাসার দরজায় নক করতে লাগলো, বাসাটা হলো বাংলার সক্রেটিসের। দরজা খুলেই ...
বাংলার সক্রেটিস: আরে রাজা দা, কি খবর এত হন্তদন্ত?
রাজা দা: আরে ঐ যে এট্টা দার্শনিক তত্ত্ব আছে না, ঐ এট্টা ব্যাঙরে গরম পানির পাত্রে ফেললি তরাক করে লাফ দে পালায় কিন্তু ঠান্ডা পানির পাত্রে ফেইলে স্লোলি হিট আপ করতি থাকলি এক সময় আরামে সে লাফ দেয়ার কথা ভুইলে যায় আর পানি বয়েল্ড হলেই সে কুপোকাত হুয়ে পড়ে... ঐটার কি নাম যেনো
বাংলার সক্রেটিস: ওহ! ওটার নাম বয়লিং ফ্রগ থিউরি, কিন্তু বাস্তব পরীক্ষায় দেখা গেছে পানি হিট আপ করতে থাকলে যেই ব্যাঙের চর্মে গরম অনুভূত হয় , তখনি সে তরাক করে লাফ দিয়ে পালায়...
রাজা দা : কিন্তু বাস্তবে আমাগের দেশে ডেঙ্গিতি মানুষ মারা যাতি যাতি বয়েলিং পয়েন্টে পৌঁছায় গিলিও গায়ে যেন গরম লেইগতেছে না...প্রকৃষ্ঠ ‘বয়লিং ফ্রগ সিনড্রোম’ উদাহরণ কি হতি পারে এটা?
বাংলার সক্রেটিস: শুধু ডেঙ্গু কেনো, এ দেশের মানুষের অনেক কিছুই ঐ সিনড্রোম দিয়ে ব্যাখ্যা করা যেতে পারে হয়তো....

বাংলার সক্রেটিস ও রাজাদা

একদিন বাংলার সক্রেটিস তালতলা বাজারের মধ্যে এক পথচারীরে থামিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন,
‘ হে ভ্রাতা, হিরক রাজা বলেছিলেন পড়ার কোন শেষ নেই , পড়ার চেষ্টা বৃথা তাই... ইহাতেই শান্তি; অন্যদিকে রাজা দা বলেছেন, একটি বিষয় পড়তে শুরু করলে আরও দশটি বিষয় পড়ার প্রয়োজনীয়তা সামনে চলে আসে, এ এক অসীম যাত্রা, এ এক অশান্তি তাই; আবার পড়লে জানা যায়, না পড়লে জানা যায়না; তারমানে দাঁড়ালো না জানা মানে শান্তি আর জানা মানে অশান্তি...আপনি কোন দিকে?’
পথচারী উত্তরে বলল-আমি অবশ্যই শান্তির দিকে, কিন্তুঐ রাজা দা ক্যাডা, জানলে অশান্তি সেইডা হেয় ক্যামনে ....
বাংলার সক্রেটিস থামিয়ে বললেন, ‘রাজা দা কে জেনে কি করবেন আপনি তো শান্তির পক্ষে, কম জানুন কম পড়ুন শান্তিতে থাকুন (!)

29 August 2019

রবিবার, ২৫ আগস্ট, ২০১৯

মনে পড়ে

সব শকুনের বেরিয়ে পরা দাঁতগুলো মনে পড়ে
মনে পড়ে অর্থকড়ি পঁচা মাংস ভেবে ছোঁ মারার দৃশ্য
অথচ শকুনেরা আর আকাশে ওড়েনা

বৃহস্পতিবার, ১৫ আগস্ট, ২০১৯

কবিতা

অনেক কবিতা হারিয়ে গেছে ইথারে
আমার তোমার কিংবা পাহাড় চূড়ার
অথবা একদম অচেনা বুনো ফুলের
যে সব কবিতায় ইতিহাস ছিলো কিনা 
জানি না তবে ছিলো নিগুড় ভাবনা
ভাবনাই হলো আগে পরে ইতিহাসে
যোগসূত্র হয়ে একসাথে দুপাশে
স্বপ্নে মোড়া জীবন বোধ সে সব
হারিয়ে যাওয়া কবিতারা সরব
কোথায় কোন নির্জনে
সে সব আর কেই জানে?

বৃহস্পতিবার, ১৬ মে, ২০১৯

সময়ই সব, বছর কেবল সময়ের হিসাব বৈ কিছু নয়।

গতকাল ১৫ই মে ছিলো আমার জন্মদিন। অগনিত জনের শুভেচ্ছা বার্তা নিঃসন্দেহে আপ্লুত হবার মত। প্রযুক্তির এই সহজীকরণ বিষয়টি আমাকে আনন্দ দেয়, সহজে শুভেচ্ছা প্রদান এবং গ্রহন দুইই হয়ে যায়। শুভেচ্ছা প্রদানকারী প্রতিজন সুধীকে সম্মিলিতভাবে অভিনন্দন জানাই।

তবে এই দিবস , সময় , বছর নিয়ে আমার কিছু ভাবনা আছে। সে নিয়েই এই লেখার উদ্দেশ্য।

সময় কি? সময় একটি ডাইমেশন বলে দিলেই উত্তরটা সহজ হয়ে যায়। এই ডাইমেনশেনর সুনির্দিষ্ট শুরুর হিসাব এখনো  পুংখানুপুংভাবে হয়েতা হিসাব করা যায়নি ( তবে  বিজ্ঞানীদের চলমান ধারণা ১৩.৮ বিলিয়ন বছর আগে এক বিগ ব্যাংগ থেকে সময়ের সৃষ্টি) ।

এই যে শব্দটি 'হিসাব' এইটিই আমার ভাবনার সূচনার সূতিকাগার। আমরা মানুষেরাই সভ্যতার সাথে সাথে সময়ের হিসাব রাখার জন্য বিভিন্ন পরিমাপ সৃষ্টি করেছি।
তার মধ্যে সর্বাধিক প্রচিলত সৌর বছর বা গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার এর পরিমাপটিতে সূর্যকে একবার পরিভ্রমন করতে পৃথিবীর যে সময় লাগে সেই সময়টাকে  মোটামুটি তুলনা করে এক বছর নাম দেয়া হয়েছে। আবার চন্দ্রের পৃথিবী একবার পরিভ্রমন সময়কে একিদন ধরে একবছরকে ৩৬৫দিন ধরা হয়েছে।
এই হিসাবটা মিলিয়ে একজন মানুষের জীবনের মোট জীবিত সময়কে ৩৬৫ দিন করে করে মোটামুটি ভাগ করা হয়।
এতো আমরা সবাই জানি।

মঙ্গলবার, ৫ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯

কিভাবে পড়বেন ই-বুক -'অদৃশ্য পোকা এবং মিথ্যে'

‍'অদৃশ্য পোকা এবং মিথ্যে' -ই-বুকটি  লোড করার পদ্ধতিক্রম

পরিচিত  কেউ কেউ ই-বুক কখনো পড়েন নি এবং ই-বুকের সাথে সংশ্লিষ্ট নয় জানানোর কারণে খুব সহজে Kobo Books হতে ই-বুক পড়ার পদ্ধতি ক্রমটি সচিত্র তুলে ধরা হলো:

১। গুগল প্লে স্টোর (Play Store) এর সার্চে  Kobo Books লিখুন।
২।  Kobo Books এর অ্যাপস টি ইনস্টল করে অপেন করুন।